করোনা ভাইরাস ও প্রাচীন কাল থেকে ভারতীয় আলেমদের অজ্ঞতাঃ
১) ভারতে ইসলামের আগমন বহুবছর আগে। সেই প্রাচীন কাল থেকেই ভারতীয় আলেমগন আরবি বা ফারসি ভাষায় ইসলাম চর্চা করে আসছেন। তখন থেকেই তারা হিন্দি ও বাংলা ভাষাকে হিন্দুদের ভাষা হিসেবে চিহ্নিত করে এসব ভাষায় ইসলাম চর্চা করা নিষেধ করেন ভারতীয় আলেমগণ। অথচ আল্লাহ তায়া’লা পবিত্র কুরআন এ বলেন, আমি সকল ভাষা সৃষ্টি করেছি।
২) ইংরেজরা যখন এই উপমহাদেশে এসে বিভিন্ন সময় যুদ্ধ করে তখন ইংরেজদের হাতে ছিল বন্দুক, কামানসহ ততকালীন আধুনিক অস্ত্র। তখন ভারতীয় আলেমগণ ফতোয়া দিলেন খ্রিস্টানদের অস্ত্র ব্যবহার করা যাবে না। ভারতীয়রা তীর ধনুক আর তরবারি দিয়ে যুদ্ধ করে যখন পরাজিত হতে শুরু করলো তখন তারা বুঝতে পারলো খ্রিস্টানদের অস্ত্র ব্যবহারে কোন সমস্যা নাই।
৩) ইংরেজরা যখন এই উপমহাদেশে তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করলো ভারতীয় আলেমগণ ফতোয়া দিলেন খ্রিস্টানদের শিক্ষা গ্রহণ করা যাবে না। মুসলমানরা শিক্ষা থেকে দূরে থাকলো। ফলে তারা সকল ক্ষেত্রে পিছিয়ে পরলো। হিন্দুরা এগিয়ে গেল শিক্ষা দীক্ষায়, সম্পদে, ক্ষমতায়।
২) ইংরেজরা যখন এই উপমহাদেশে এসে বিভিন্ন সময় যুদ্ধ করে তখন ইংরেজদের হাতে ছিল বন্দুক, কামানসহ ততকালীন আধুনিক অস্ত্র। তখন ভারতীয় আলেমগণ ফতোয়া দিলেন খ্রিস্টানদের অস্ত্র ব্যবহার করা যাবে না। ভারতীয়রা তীর ধনুক আর তরবারি দিয়ে যুদ্ধ করে যখন পরাজিত হতে শুরু করলো তখন তারা বুঝতে পারলো খ্রিস্টানদের অস্ত্র ব্যবহারে কোন সমস্যা নাই।
৩) ইংরেজরা যখন এই উপমহাদেশে তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করলো ভারতীয় আলেমগণ ফতোয়া দিলেন খ্রিস্টানদের শিক্ষা গ্রহণ করা যাবে না। মুসলমানরা শিক্ষা থেকে দূরে থাকলো। ফলে তারা সকল ক্ষেত্রে পিছিয়ে পরলো। হিন্দুরা এগিয়ে গেল শিক্ষা দীক্ষায়, সম্পদে, ক্ষমতায়।
এভাবেই ভারতীয় আলেমগণ উপমহাদেশের মুসলমানদের পিছিয়ে রেখেছেন। তাদের ভিতর ইসলামের প্রতি আবেগ বেশি কিন্তু চর্চা কম। নতুন কিছু দেখলেই তারা বিরোধিতা করেন। কিন্তু শরীয়তে কি আছে তা খুঁজে দেখেন না।
সারা বিশ্বে করোনা ভাইরাস এর কারণে মসজিদে নামাজ সীমিত করা হয়েছে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে বন্ধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে বুখারী শরীফে স্পষ্ট হাদিসও রয়েছে যে, অতিরিক্ত বৃষ্টি বা শীতে তোমরা ঘরে নামাজ পড়।
এখন বাংলাদেশের কিছু আলেম মসজিদে নামাজ বন্ধ করা যাবে না, এ নিয়ে জ্বালাময়ী বক্তব্য দিচ্ছেন। তাদের ভয়ে সরকারও তেমন কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছে না। অথচ এদের বেশির ভাগ আলেমই সারা বছর অন্য আলেমদের গীবত নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। ওয়াজ মাহফিলে কোরান হাদিস বাদ দিয়ে কিচ্ছা কাহিনি নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। নিজেরাও ডুবে থাকেন শিরক বিদাতে। যখন বাংলাদেশেও কঠিন অবস্থা শুরু হয়ে যাবে তখন এই আলেমরা কি করবেন?
মালয়েশিয়ায় তাবলীগ জামায়াত এর বিশাল জমায়েতে অংশগ্রহণকারী ১৯৫ জন করোনা ভাইরাস এ আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যেও বাংলাদেশে তাবলীগ এর দাওয়াতি কাজ চলছে। দাওয়াত ভালো, কিন্তু তা তো পরেও দেওয়া যাবে।
এখন কি দাওয়াতের কাজ কিছুটা সীমিত রাখা যায় না।
নবী সাঃ বিদায় হজ্জের ভাষণে বলেছিলেন, তোমাদের কাছে আমি দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি আল্লাহর কোরান ও আমার সুন্নাত। এদুটোকে তোমরা মাড়ির দাত দিয়ে শক্ত করে ধরে রেখো। তাহলে কখনো তোমরা পথ হারাবে না। আজ কথাটি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছি।
মালয়েশিয়ায় তাবলীগ জামায়াত এর বিশাল জমায়েতে অংশগ্রহণকারী ১৯৫ জন করোনা ভাইরাস এ আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যেও বাংলাদেশে তাবলীগ এর দাওয়াতি কাজ চলছে। দাওয়াত ভালো, কিন্তু তা তো পরেও দেওয়া যাবে।
এখন কি দাওয়াতের কাজ কিছুটা সীমিত রাখা যায় না।
নবী সাঃ বিদায় হজ্জের ভাষণে বলেছিলেন, তোমাদের কাছে আমি দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি আল্লাহর কোরান ও আমার সুন্নাত। এদুটোকে তোমরা মাড়ির দাত দিয়ে শক্ত করে ধরে রেখো। তাহলে কখনো তোমরা পথ হারাবে না। আজ কথাটি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছি।

1 Comments
যথার্থ বলেছে। তবে এক্ষেত্রে দুটো মতের মানুষ থাকার কিছুটা কারণ রয়েছে। মসজিদ খোলা রাখা পক্ষদের দাবী হাট-বাজার ও ব্যাংকসহ প্রতিষ্ঠানের খোলা কেন? তাছাড়া, আফগানিস্থানসহ সকল নির্যাতিত মুসলিম দেশে যেখানে প্রতিনিয়ত মৃত্যুকে তারা হাতের কব্জায় নিয়ে ঘুরে ও জীবনের নিরাপত্তার প্রশ্নে বিভোর, সেসব দেশেও কিন্তু মসজিদ বন্ধ নাহ! তাই তারা এই করোণার পরিস্থিতি কে সেটার সাথে তুলনা করে। এখানে তাদের যুক্তির জায়গা।
ReplyDelete